মুদির দোকান, ছোট ডিপার্টমেন্টাল স্টোর বা হকারদের অনলাইনে কেনাবেচা করার কোনও রাস্তা এতদিন ছিল না। লকডাউনে তাই এইসব ব্যবসায়ীরাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ। দেশের একটা বড় অংশই মেসেজিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করে। এখন জিওমার্ট এইসব ছোট স্টোরগুলিকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে জুড়ে দেবে। জিনিসপত্র অর্ডার করতে হলে হোয়াটসঅ্যাপেই করা যাবে। পেমেন্টও করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপেই। সেই পরিষেবা শুরু হয়ে গেল। তবে প্রাথমিক ভাবে এই পরিষেবা মিলছে মহারাষ্ট্রের ‌নবি মুম্বই, থানে এবং কল্যাণে। কিছু দিনের মধ্যেই গোটা দেশে শুরু হবে এই পরিষেবা।

এই পরিষেবার জন্য তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর। ৮৮৫০০ ০৮০০০ এই নম্বরটিই মোবাইল ফোনে সেভ করতে বলছে জিও। গ্রাহকদের কিছুই করতে হবে না। এই নম্বর থেকে গ্রাহকদের কাছে আসবে একটি লিঙ্ক। সেই লিঙ্কের ভ্যালিডিটি ৩০ মিনিট। এই সময়ের মধ্যেই লিঙ্কটি ব্যবহার করতে হবে। লিঙ্কে ক্লিক করলে একটা নতুন ওয়েবপেজ খুলবে। সেখানে গ্রাহককে নাম, ঠিকানা এবং ফোন নম্বর দিতে হবে। সঙ্গেই বিভিন্ন সামগ্রীর ক্যাটালগ। সেখানে দামও উল্লেখ করা থাকবে। প্রয়োজনীয় সামগ্রী সিলেক্ট করে অর্ডার দিতে হবে।

একবার অর্ডার দেওয়া হয়ে গেলে এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত দোকানে চলে যাবে নির্দেশ। সেটা জিওমার্ট স্টোর হতে পারে আবার স্থানীয় দোকানও হতে পারে। কোন খানে অর্ডার গেল সেটা জানিয়ে দেওয়া হবে গ্রাহককে। সামগ্রী ডেলিভারির জন্য তৈরি হয়ে গেলে গ্রাহকের কাছে ফের আসবে মেসেজ। এবার গিয়ে সংগ্রহ করে নিতে হবে নির্দিষ্ট দোকান বা স্টোর থেকে। এখনই হোম ডেলিভারি চালু হচ্ছে না। একই সঙ্গে এখন শুধুই নগদ টাকায় পণ্য কিনতে হবে। সব পরিষেবা এখনই চালু না হলেও ধীরে ধীরে সব সুযোগই পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে রিলায়েন্স জিও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here