অ্যাপের কারসাজিতে ছবির বয়স করে দেওয়া যায় ৫ বছরের শিশুর মতো। আবার ৭০ বছরের বৃদ্ধের মতো। শুধু তাই নয়, কাউকে বিপরীত লিঙ্গের মানুষ হলে কেমন দেখতে হতো, তাও জানা যায় এই অ্যাপ থেকে।
ফেসবুকে দারুণ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফেসঅ্যাপ। বিভিন্ন বয়সে কাউকে দেখতে কেমন হবে এই অ্যাপের মাধ্যমে তা এক ক্লিকেই জানা যায়।
জানা গেছে, রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের একটি ছোট প্রতিষ্ঠান ওয়ারলেস ল্যাব তৈরি করেছে এই ফেসঅ্যাপ। ২০১৭ সালেই তুমুল জনপ্রিয়তা লাভ করে এই অ্যাপ। সে সময় গুগল প্লে স্টোরের সবচেয়ে বেশি ডাউনলোড হওয়া অ্যাপগুলোর তালিকায় স্থান করে নেয় এটি।
প্লে স্টোরে এর রিভিউ-ও বেশ ভালো। ওয়ারলেস ল্যাবের এক কর্মকর্তা জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারের মাধ্যমে পাল্টানো হয় মুখের আদল। ব্যবহার করা সহজ হওয়ায় এবং ডেটা কম লাগায় আরও জনপ্রিয়তা পেয়েছে ফেসঅ্যাপ।
সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন সেলিব্রেটিরাও মজেছে এই বয়স বদলের অ্যাপে। অ্যাপে বয়স বদলের ট্রেন্ডে সামিল হয়েছেন বলিউড, হলিউড সেলিব্রেটিরাও। জনপ্রিয় ইউটিউবাররাও ব্যবহার করছেন এই অ্যাপ।
তবে এই ধরনের অ্যাপ ব্যবহার করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত্ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের বক্তব্য, সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে সরাসরি জড়িত কোনও অ্যাপ ব্যবহার করার আগে অ্যাপটির শর্তাবলী পড়ে দেখে নেওয়াই ভালো।
ফেসবুকে ফেসঅ্যাপ ব্যবহারের সময় থার্ড পার্টি বা তৃতীয় পক্ষের হাতে আপনার ব্যক্তিগত কিছু তথ্য তুলে দেওয়ার জন্য সম্মতি দিতে হয়। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে অ্যাপটি ডাউনলোডের সময় ইন-অ্যাপ পারচেজ, ফটো ও মিডিয়া ফাইল, ডিভাইস স্টোরেজ ও মাই ক্যামেরা অপশনের অনুমতি দিতে হয়। এ ছাড়া আরও ইন্টারনেট ডেটা গ্রহণ, নেটওয়ার্ক কানেকশন দেখা, পূর্ণ নেটওয়ার্ক সংযোগ, ফোন স্লিপিং মোডে যাওয়ার ঠেকানোর অনুমতি দিতে হয়। এসব তথ্য দেয়ার কারণে নিরাপত্তা ঝুঁকির সঙ্গে হারাতে পারেন আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্টও।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here